Showing posts with label মেডিকেল. Show all posts

থ্যালিডোমাইডঃ চিকিৎসাবিজ্ঞানের এক কলঙ্কময় অধ্যায়

0


বিজ্ঞানের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষকে নিরাপদ রাখা, সুস্থ রাখা। বিভিন্ন সময়ে আবিষ্কৃত নানা জীবন রক্ষাকারী ওষুধ বিজ্ঞানের এক অন্যতম উপকারী দিক। এই আধুনিক বিজ্ঞান যুগে আসতে আসতে ওষুধ আবিষ্কার ও ওষুধের ফলাফল যাচাই করার প্রক্রিয়া অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠেছে। মানুষ তার দীর্ঘদিনের ইতিহাস থেকে শিখেছে কোনো ওষুধ বাজারে ছাড়ার আগে এর একটি সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাবও অজানা রাখা যাবে না কেননা যদি কোন ক্ষতিকর প্রভাব ওষুধ বাজারজাত করার পরে জানা যায় তবে তা উপকারের বদলে মানব জাতির জন্য একরকম বুমেরাং হয়ে উঠতে পারে। থ্যালিডোমাইড, রোফিক্সিব ইত্যাদি ওষুধগুলোর ইতিহাস বারবার আমাদের ওষুধ তৈরি প্রক্রিয়াতে আরও বেশি সতর্ক হবার কথা মনে করিয়ে দেয়।

Read More

জন্মগত অঙ্গবিকৃতিঃ ঠোঁট -তালুকাটা রোগ ও ক্রেনিওসেন্টেসিস

0

মানবভ্রুন জন্মলগ্নের এককোষী জাইগোট অবস্থা থেকে ক্রমান্বয়ে বিভাজনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট আকৃতিযুক্ত দেহ লাভ করে। প্রাথমিক অবস্থায় বিভাজনের সময় অসংখ্য টটিপটেনশিয়াল স্টেম সেল উৎপন্ন হয় যারা একদিকে যেমন বিভাজনের মাধ্যমে নিজেদের ন্যায় কোষ তৈরি করতে পারে অপরদিকে দেহের যেকোনো কোষ উৎপন্ন করতে পারে। এভাবে অঙ্গ নির্মাণের জন্য কিছু স্টেম সেল নিয়ে অঙ্গকুড়ি গঠিত হয় যা থেকে পরবর্তীতে বিভিন্ন অঙ্গ তৈরি হয়। অঙ্গ তৈরির এই প্রক্রিয়াকে অর্গানোজেনেসিস বলে। অঙ্গ তৈরির এই জটিল প্রক্রিয়ায় অসংখ্য উপাদান মিথস্ক্রিয়া করতে পারে। সাধারণভাবেই ধারণা করা যায় এই প্রক্রিয়ার যেকোনো অংশে সামান্য বাঁধার সৃষ্টি হলে অঙ্গ সৃষ্টি ব্যহত হবে বা অঙ্গ বিকৃত আকার ধারন করবে এবং অঙ্গের নির্ধারিত কাজ করতে পারবে না। এমন দুটি জন্মগত অঙ্গ বিকৃতি নিয়েই এই লেখা।
Read More

মস্তিষ্ক ও নারী পুরুষের পার্থক্য

0


সম্প্রতি University of Exeter এবং King's College London এর গবেষণা মানব মস্তিকের বিকাশের জটিল প্রক্রিয়া সম্পর্কে আমরা যা জানি তাতে নতুন মাত্রা দিয়েছে।



Genome Research নামে জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা পত্রে তারা মানবমস্তিস্ক গঠনের সাথে যুক্ত জিনের সক্রিয়তা নিয়ে কাজ করেন। তাদের গবেষণার একটি অংশ ছিল মানব মস্তিস্কের কোষে ডিএনএ মিথাইলেশন নামে একটি প্রক্রিয়ার পার্থক্য নিয়ে যা পুরুষ ও নারীর আচরণ, মস্তিস্কের কার্যনীতি ও রোগের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করে। প্রকৃতপক্ষে ডিএনএ মিথাইলেশন হল ডিএনএ অণুর গঠনগত পরিবর্তন না করে ডিএনএ অণুর সাথে মিথাইল মূলক যুক্ত করার মাধ্যমে ডিএনএ এর সংশ্লিষ্ট অংশকে নিস্ক্রিয় করে দেয়া অর্থাৎ প্রোটিন তৈরি করতে না দেয়া। এই গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল সেই সকল আণবিক ‘সুইচ’ নিয়ে কাজ করা যা ডিএনএ এর গঠন না বদলেই তাকে নিস্ক্রিয় করে দিতে পারে। এককথায় এই প্রক্রিয়া গুলোকে একত্রে এপিজেনেটিক্স বলে(এপি শব্দের অর্থ উপরে)।

Read More

অস্থিমজ্জা দানঃ রক্ত রোগ জয়ের এক সফল অস্ত্র

0


সুপ্রাচীনকাল থেকেই মানুষ ভেবেছে কীভাবে একজন মানুষের অঙ্গ আরেক জন মানুষের দেহে প্রতিস্থাপন করা যায়।১৬২৮ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী উইলিয়াম হার্ভে সর্বপ্রথম মানবদেহের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া বর্ণনা করেন তার কিছুদিন পরেই মানুষ রক্ত প্রতিস্থাপন বা বিনিময় করতে সক্ষম হয়। সেই রক্ত বিনিময় প্রক্রিয়ার সমস্যাগুলোকে দূর করতে, একে আরও সহজ করতে কেটে গেছে অনেক অনেক বছর। বিজ্ঞানের বিকাশের ফলে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা বুঝতে শিখেছেন মানবদেহের ট্রান্সপ্লান্টেশন ইমিউনিটিকে। এখন শুধু রক্ত নয়, প্রতিস্থাপন করা সম্ভব লিভার, কিডনির ন্যায় বৃহৎ অঙ্গ।


Read More

ব্লাড ক্যান্সারঃ এক প্রাচীন ঘাতক

0

বর্তমানে চিকিৎসা ব্যবস্থার বিবিধ উন্নতির ফলে আমরা অতীতের অনেক রোগকে হারাতে পারলেও সেই প্রাচীন কালের ক্যান্সার নামক রোগকে আমরা কিছুতেই যেন নিজেদের আয়ত্তে আনতে পারছি না। আমাদের শরীরের কোষগুলোও ঠিক আমাদের মত করেই ভাবে। যখন কোষের চারপাশের পরিবেশে এটির বেঁচে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়ে তখন এটি নিজের গাঠনিক বৈশিষ্ট্যকে বদলে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে কিন্তু এই চেষ্টা করতে গিয়েই অনেক সময় সৃষ্টি হয় বিপত্তি; নিয়ন্ত্রনহীন কোষ বিভাজনের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় টিউমার বা নিওপ্লাজম যা এক প্রকার অনিয়ত্রিত কোষগুচ্ছ। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের দেহে প্রতিদিন এমন অসংখ্য কোষ তৈরি হয় কিন্তু তা গুচ্ছ সৃষ্টির আগেই নানা প্রক্রিয়াতে ধবংস হয়ে যায়, তবে দুর্ভাগ্যক্রমে যদি টিকে যায় তাহলেই সমস্যার শুরু। এরকম একটি কোষ গুচ্ছ যদি টিকে যায় তবে তার ভবিষ্যৎ দু রকম হতে পারে। প্রথমত এটি যে অবস্থায় আছে সেভাবেই থেকে যেতে পারে কোষের তেমন কোন উল্লেখযোগ্য গাঠনিক পরিবর্তন না করে। দ্বিতীয়ত এটি আকারে বড় হতে পারে, কোষের গঠনগত মৌলিক পরিবর্তন যেমন নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজমের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে এবং এই কোষগুলো নিজেদের ভিত্তিপর্দা ভেদ করে আশেপাশের কোষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। প্রথম ধরনের কোষগুলো বিনাইন ও দ্বিতীয় ধরনের কোষগুলোকে ম্যালিগনেন্ট নিওপ্লাজম বা ক্যান্সার বলে।

Read More

বিশ্বের প্রথম স্পন্দনহীন কৃত্তিম হৃৎপিণ্ডঃ

0

আমরা প্রায়ই নানা রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি হিসাবে নানা অঙ্গ প্রতিস্থাপনের কথা শুনেছি। তোমরা হয়ত জানো এখন আমাদের দেশেই কর্নিয়া, যকৃৎ ও অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন করা সম্ভব। তবে আমাদের দেশে এখনও হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন করার কাজ শুরু হয়নি। প্রতিবছর অস্ট্রেলিয়াতে প্রায় ৩ লাখ মানুষ হার্ট ফেইলরে আক্রান্ত হন এবং ইউরোপ ও আমেরিকাতে এ সংখ্যা প্রায় ১১ লাখ। এ রোগে আক্রান্ত মানুষেরা প্রচলিত চিকিৎসায় কিছুদিন বেঁচে থাকেন তবে তাদের জন্য সর্বোত্তম চিকিৎসা হল হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন। তবে উন্নত প্রযুক্তি ও দানকৃত হৃৎপিণ্ডের সঙ্কট এ ক্ষেত্রে অন্যতম বাঁধা। দানকৃত অঙ্গের সংকটের জন্য বিজ্ঞানীরা কৃত্তিম অঙ্গ আবিষ্কারের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছেন। ইতিপূর্বে ইউনিভারসিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া,সান ফ্রান্সিস্কোর বাংলাদেশী বিজ্ঞানী শুভ রায় কৃত্তিম বৃক্ক আবিষ্কার করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন।
Read More

চিকিৎসা ক্ষেত্রে গত বছরের সেরা দশটি আবিষ্কার

0
বিগত বছর আমাদের চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসের জন্য ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিগত বছরের অনেকগুলো আবিষ্কার বদলে দিয়েছে চিকিৎসা সেবার মান। এ পর্বের লেখা বিগত বছরের সেরা ১০টি আবিষ্কার নিয়ে।

Read More

সত্যিই কি প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে ডাক্তার থেকে দূরে থাকা যায়?

0
অনেক দিনের একটি প্রচলিত প্রবাদ হল an apple a day keeps the doctor away” গবেষণায় জানা যায় ১৯১৩ সালে প্রথম এই প্রবাদ বাক্য এই রূপে আসলেও তারও অনেক আগে থেকে নানা রূপে এই প্রবাদ বাক্য মানুষের মাঝে প্রচলিত ছিল
Read More

হেপাটাইটিসঃ প্রতিরোধের এখনই সময়

0
প্রতিবছর জুলাই মাসের ২৮ তারিখকে বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস হিসাবে পালন করা হয়ে থাকে। এই দিবসের বছরের প্রতিপাদ্য বিষয় Prevent Hepatitis: It’s up to you’ এই দিনটিকে সামনে রেখে আমাদের বিশেষ রচনা হেপাটাইটিসঃ এখনই সময়, সতর্ক হোন

হেপাটাইটিস কী?

ধারণা করা হয় বিশ্ব জুড়ে বর্তমানে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন লোক হেপাটাইটিস বি ও হেপাটাইটিস সি ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত। অপরদিকে প্রতি বছর প্রায় ১.৪ মিলিয়ন লোক হেপাটাইটিস রোগে মারা যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় হেপাটাইটিস বলতে যকৃতের প্রদাহ কে বোঝায়। হেপাটাইটিস নামক রোগে যকৃতের কোষ নষ্ট হয়ে থাকে। প্রাথমিক অবস্থায় হেপাটাইটিস সাধারণ সর্দি জ্বরের ন্যায় লক্ষন প্রকাশ করলেও পরবর্তীতে লক্ষণগুলো সর্দিজ্বর থেকে আলাদা হয়।

Read More

টিকা নিয়ে তথ্য: মিথ্যা নাকি সত্য

0

ভ্যাক্সিন বা প্রতিষেধক টিকার দীর্ঘদিনের ইতিহাস বিবেচনা করলে দেখা যাবে এই ইতিহাস একেবারে মসৃণ তো ছিলই না বরং ছিল হাজার হাজার উত্থান-পতন। কিছুদিন আগেও ভ্যাক্সিনকে রোগ প্রতিরোধকারী আধুনিক প্রযুক্তির আশীর্বাদ হিসাবে দেখা হলেও বর্তমানে অনেকেই বিভিন্ন টিকাকে সন্দেহ ও বিতর্কের দৃষ্টিতে দেখেন।
আমরা কি আসলে কখনো প্রতিষেধক টিকার ক্ষতিকর প্রভাব ও উপকার নিয়ে ঐক্যমতে পৌছাতে পারবো? সে প্রশ্ন না হয় থাক। আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে প্রতিষেধক নিয়ে তথ্যের সত্য-মিথ্যা বিশ্লেষণ।

Read More

আঞ্জেলম্যান সিনড্রোম ও এই রোগ চিকিৎসায় নতুন বায়োমার্কার

0
আঞ্জেলম্যান সিনড্রোম একটি বিরল জীনগত স্নায়ুঘটিত রোগ যা প্রথম আবিষ্কার করেন অ্যাঞ্জেলম্যান নামে একজন ইংরেজ শিশু বিশেষজ্ঞ। প্রায় প্রতি ১৫০০০ শিশুর মধ্যে ১জন শিশুতে এই রোগ দেখা যায় এবং সাধারণত ৬ থেকে ১২ মাস বয়সের মধ্যেই এই রোগের লক্ষণ স্পষ্ট বোঝা যায়। অনেক ক্ষেত্রে এ রোগ সেরিব্রাল পালসি বা অটিজম বলে ভুল হয়ে থাকে। রোগ লক্ষণের মধ্যে রয়েছে মানসিক উন্নয়ন জনিত বিলম্ব, কথা বলতে না পারা, খিঁচুনি, হাঁটা এবং ভারসাম্য রক্ষাজনিত সমস্যা।এছাড়াও এই রোগে আক্রান্ত শিশুরা হাসিখুশি মনোভাবের হয় এবং প্রায়ই হাসে। এই রোগের মূল কারণ হল মায়ের দেহ থেকে আসা ১৫ নাম্বার ক্রোমোজোমের বড় বাহুর ১২ নাম্বার ব্যান্ডে (15q12) অবস্থিত UBE3A(ubiquitin protein ligase E3A) জিনের বিলুপ্তিকরণ কিংবা নিস্ক্রিয়করণ। এই রোগে আক্রান্ত প্রায় ৬৮% মানুষের মধ্যেই উল্লেখকৃত জিনের বিলুপ্তিকরন দেখা যায় তবে এছাড়াও ইউনিপ্যারেন্টাল ডাইসোমি(৩%) ( বাবা কিংবা মা একজনের কাছে থেকে এক জোড়া ক্রোমোসোম চলে আসা), জিনের মিউটেশন(১৩%) কিংবা ইম্প্রিন্টিং সেন্টার( এটি ডিএনএ এর ছোট্ট একটি অঞ্চল যা নিয়ন্ত্রণ করে জিনটি সক্রিয় নাকি নিস্ক্রিয় থাকবে) এর সমস্যার কারণে(৬%) হতে পারে। এই রোগের অনেকগুলো ভিন্ন ভিন্ন জেনেটিক কারণ থাকায় বংশপরম্পরায় এর সঞ্চারণ কৌশল একটু জটিল। নিচের চিত্রে এই রোগের বিভিন্ন কারণের রিস্ক ফ্যাক্টরের তুলনা দেখানো হল।  
Read More

sin, tan , sec ত্রিকোণমিতির এই নামগুলো কোথা থেকে এল?

0
সাইন, ট্যান, সেক-তোমাদের মধ্যে ত্রিকোণমিতির সামান্য জ্ঞান যাদের আছে, তারা সবাই এই নামগুলো চেন। কিন্তু এই নামগুলো কোত্থেকে এল, সেটা কি জানো?  কদিন আগে একটা দারুণ বই পড়ছিলাম ‘Great moments in mathematics before 1650’। সেখানে খুব সুন্দর করে sin এর গল্পটা বলা ছিল। উইকিপিডিয়া ঘেঁটে আরও কিছু শিখলাম। ভাবলাম যা জেনেছি, তোমাদের সাথে ভাগ করে নিই। সে জন্যেই এই লেখা। চলো আগে নামগুলোর আভিধানিক অর্থ জেনে নিই। এই আভিধানিক অর্থ আমি আগেও জানতাম, কিন্তু সেই জানাটাই আসলে আমাকে আরও দ্বিধায় ফেলে দিয়েছিল!
Read More

অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বনের বিক্রিয়ার সচিত্র মেকানিজম, টেক্সট রিসোর্স এবং বোধগম্য ব্যাখ্যা

0

আমি আজ আপনাদের কাছে জৈব রসায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হাইড্রোকার্বন সম্পর্কে আলোচনা করবো। আমি যে বইয়ের রিসোর্স দিলাম সে বইগুলোর সংস্করণ হলঃ হাজারী ও নাগঃ এপ্রিল,২০১১ মহির ও মুস্তারীনঃ জুন,২০০৯
তাহলে শুরু করা যাক।

Hydrocarbon: হাইড্রোকার্বনঃ

শুধু কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলে।
হাইড্রোকার্বন এবং কার্বোহাইড্রেট এক নয়।

জেনে রাখা ভালঃ

কার্বোহাইড্রেট হল পলি-হাইড্রক্সি কিটোন ও পলি হাইড্রোক্সি অ্যাল্ডিহাইড এবং এদের জাতকসমূহ। বায়ো-অণু সমূহের রসায়নে এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে। (যদি বাইচা থাকি)

Read More

ক্যালকুলাস

0


সবার আগে আমি আমি ক্যালকুলাস কি, এটার ব্যবহার, উদাহরণ এসব আলোচনা করব। এরপর ইন্টিগ্রেশনের বিভিন্ন নিয়মাবলী নিয়ে আলোচনা করব। ধৈর্য ধরে পড়তে হবে।
তাহলে শুরু করা যাক

ক্যালকুলাস কি?

ক্যালকুলাস আসলে অ্যাডভান্সড বীজগণিত এবং জ্যামিতির এক অসাধারণ সমন্বয়। গণিতের পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় এটা কোন নতুন বিষয় বা সাবজেক্ট নয়। ক্যালকুলাসে সাধারণ বীজগণিতীয় এবং জ্যামিতিক সূত্রাবলি ব্যবহৃত হয় কিন্তু ক্যালকুলাসের সমস্যাগুলি অবশ্যই বীজগণিত এবং জ্যামিতির চেয়ে আলাদা ও একটু জটিল। যেখানে বীজগণিত, জ্যামিতি এবং ত্রিকোণমিতির শেষ সেখান থেকেই ক্যালকুলাসের শুরু।
এবার আমরা একটু ক্যালকুলাসের ব্যবহারিক দিক লক্ষ্য করিঃ
১ম চিত্রে একজন লোক একটি বাক্স উপরে উঠাতে চেষ্টা করছে। এক্ষেত্রে তিনি F বল প্রয়োগ করলে যদি শীর্ষে উঠাতে পারেন তাহলে তার কাজ কত?

Read More