থ্যালিডোমাইডঃ চিকিৎসাবিজ্ঞানের এক কলঙ্কময় অধ্যায়
0
বিজ্ঞানের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষকে নিরাপদ রাখা, সুস্থ রাখা। বিভিন্ন সময়ে আবিষ্কৃত নানা জীবন রক্ষাকারী ওষুধ বিজ্ঞানের এক অন্যতম উপকারী দিক। এই আধুনিক বিজ্ঞান যুগে আসতে আসতে ওষুধ আবিষ্কার ও ওষুধের ফলাফল যাচাই করার প্রক্রিয়া অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠেছে। মানুষ তার দীর্ঘদিনের ইতিহাস থেকে শিখেছে কোনো ওষুধ বাজারে ছাড়ার আগে এর একটি সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাবও অজানা রাখা যাবে না কেননা যদি কোন ক্ষতিকর প্রভাব ওষুধ বাজারজাত করার পরে জানা যায় তবে তা উপকারের বদলে মানব জাতির জন্য একরকম বুমেরাং হয়ে উঠতে পারে। থ্যালিডোমাইড, রোফিক্সিব ইত্যাদি ওষুধগুলোর ইতিহাস বারবার আমাদের ওষুধ তৈরি প্রক্রিয়াতে আরও বেশি সতর্ক হবার কথা মনে করিয়ে দেয়।



